Subscribe our WhatsApp Channel Vision Institute Visit!

Search Suggest

নবম শ্রেণী | জীবন বিজ্ঞান প্রথম অধ্যায়ঃ জীবন ও তাঁর বৈচিত্র্য | গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

প্রশ্নঃ দুটি উচ্চ ফলনশীল ধানের উদাহরণ দাও। উত্তরঃ IR-8, IR-20। প্রশ্নঃ দুটি উচ্চ ফলনশীল গমের নাম কী? উত্তরঃ সোনালিকা, কল্যাণসোনা।
জীবন বিজ্ঞান প্রথম অধ্যায়ঃ জীবন ও তাঁর বৈচিত্র্য

নবম শ্রেণী
প্রথম অধ্যায়ঃ জীবন ও তাঁর বৈচিত্র্য
গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নঃ

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তরঃ প্রশ্নের মানঃ ১

প্রশ্নঃ হট ডাইলিউট স্যুপ কথাটির প্রবক্তা কে?
উত্তরঃ বিজ্ঞানী হ্যালডেন।

প্রশ্নঃ একটি অপচিতি বিপাকের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ শ্বসন/রেচন অপচিতি বিপাক।

প্রশ্নঃ কোয়াসারভেট মডেল কে নাম দেন?
উত্তরঃ ওপারিন।

প্রশ্নঃ জীবের দেহ গঠনকারী সংগঠনের নাম কী?
উত্তরঃ কোশ।

প্রশ্নঃ জীববিদ্যার প্রধান তিনটি শাখা কী কী?
উত্তরঃ জীববিদ্যার প্রধান তিনটি শাখা হল- উদ্ভিদবিদ্যা, প্রাণীবিদ্যা ও জীবাণুবিদ্যা।

প্রশ্নঃ জীব-পদার্থবিদ্যা কী?
উত্তরঃ জীববিদ্যার সঙ্গে পদার্থবিদ্যার সমন্বয়ে গঠিত বিজ্ঞান।

প্রশ্নঃ জীব-রসায়ন কী?
উত্তরঃ জীববিদ্যা ও রসায়নের সমন্বয়ে গঠিত বিজ্ঞান।

প্রশ্নঃ জীব-পরিসংখ্যান বা জীবমিতি কী?
উত্তরঃ জীববিদ্যা ও পরিসংখ্যান বিদ্যার সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে জীব বা জীবমিতি।

প্রশ্নঃ দুটি উচ্চ ফলনশীল ধানের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ IR-8, IR-20।

প্রশ্নঃ দুটি উচ্চ ফলনশীল গমের নাম কী?
উত্তরঃ সোনালিকা, কল্যাণসোনা।

প্রশ্নঃ দুটি অধিক দুগ্ধপ্রদায়ী গাভির উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ ভাগলপুরী, শাহিওয়াল।

প্রশ্নঃ দুটি অ্যান্টিবায়োটিকের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ এরিথ্রোমাইসিন, অ্যাজিথ্রোমাইসিন।

প্রশ্নঃ মহাকাশ গবেষণার জন্য মহাকাশযানে কী রাখলে শ্বাসকষ্ট হয় না?
উত্তরঃ ক্লোরেল্লা নামক শৈবাল।

প্রশ্নঃ প্যারাসাইটোলজি বা পরজীববিদ্যা কাকে বলে?
উত্তরঃ জীববিজ্ঞানের যে শাখা রোগ সংক্রমণকারী পরজীবীদের জীবনচক্র, রোগলক্ষণ, প্রকৃতি ও তাদের প্রতিরোধ করার পদ্ধতি সম্বন্ধে আলোচনা করা হয় তাদের পরজীববিদ্যা বা প্যারাসাইটোলজি বলে।

প্রশ্নঃ হিমাটোলজি কাকে বলে?
উত্তরঃ রক্ত এবং রক্ত সম্পর্কীয় বিভিন্ন ত্রুটি সম্পর্কে অধ্যয়নকে হিমাটোলজি বলে।

প্রশ্নঃ সেরিকালচারে কী বিষয়ে আলোচনা করা হয়?
উত্তরঃ রেশম কীট প্রতিপালন এবং রেশম উৎপাদন সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়।

প্রশ্নঃ হর্টিকালচার বলতে কী বোঝো?
উত্তরঃ উদ্যানপালন অর্থাৎ ফুল ও ফলের চাষ সম্বন্ধে আলোচনাকে হর্টিকালচার বা উদ্যানপালন বিদ্যা বলা হয়।

প্রশ্নঃ পিসিকালচার কাকে বলে?
উত্তরঃ মৎস্য প্রতিপালন, সংরক্ষণ, প্রজনন ইত্যাদি সম্পর্কে অধ্যয়নকে পিসি কালচার বলে।

প্রশ্নঃ প্রাণীবিদ্যার জনক কে?
উত্তরঃ অ্যারিস্টট্ল।

প্রশ্নঃ উদ্ভিদবিদ্যার জনক কে?
উত্তরঃ থিওফ্রাসটাস।

প্রশ্নঃ 'Taxonomy' শব্দটি কোন্ শব্দ থেকে উদ্ভব হয়েছে?
উত্তরঃ Taxonomy শব্দটির দুটি গ্রিক শব্দ 'Taxis', 'Nomas শব্দ থেকে উদ্ভব হয়েছে।

প্রশ্নঃ শ্রেণিবিন্যাস বিধির জনক কে?
উত্তরঃ ক্যারোলাস লিনিয়াস।

প্রশ্নঃ 'Species Plantarum' পুস্তকটি কার রচিত?
উত্তরঃ ক্যারোলাস লিনিয়াস।

প্রশ্নঃ আম গাছের দ্বিপদ নাম কী?
উত্তরঃ আম গাছের দ্বিপদ নাম Mangifera indica।

প্রশ্নঃ মানুষের দ্বিপদ নাম কী?
উত্তরঃ মানুষের দ্বিপদ নাম Homo sapiens।

প্রশ্নঃ জীবদের বিভিন্ন গোষ্ঠীতে অন্তর্ভুক্ত করাকে কী বলে?
উত্তরঃ শ্রেণিবিন্যাস বলে।

প্রশ্নঃ লিনিয়াসের হায়ারার্কিতে ক-টি ধাপ ছিল? প্রথম ও শেষ ধাপ দুটির নাম কী?
উত্তরঃ সাতটি ধাপ ছিল। প্রথম ধাপ রাজ্য এবং শেষ ধাপ প্রজাতি।

প্রশ্নঃ লিনিয়াস কত খ্রিস্টাব্দে এই হায়ারার্কির প্রবর্তন করেন?
উত্তরঃ 1758 খ্রিস্টাব্দে।

প্রশ্নঃ জবা গাছের দ্বিপদ নাম কী?
উত্তরঃ Hibiscus rosa sinensis।

প্রশ্নঃ বাঘের বিজ্ঞানসম্মত নাম কী?
উত্তরঃ Panthera tigris

প্রশ্নঃ ধান গাছের বিজ্ঞানসম্মত নাম কী?
উত্তরঃ Oryza sativa

প্রশ্নঃ গণ ও প্রজাতি দুটি পদের সমন্বয়ে ______ হয়।
উত্তরঃ দ্বিপদ নামকরণ

প্রশ্নঃ শ্রেণিবিন্যাসের ক্ষুদ্রতম একক হল _______ ।
উত্তরঃ প্রজাতি

প্রশ্নঃ রাজ্য ফানজির অন্তর্গত দুটি উদ্ভিদের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ অ্যাগারিকাস ও মিউকর।

প্রশ্নঃ মনেরার কোশ প্রাচীরের বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তরঃ কোশ প্রাচীরে পেপটাইডোগ্লাইক্যান থাকে।

প্রশ্নঃ মাইকোপ্লাজমা কোন্ রাজ্যের অন্তর্গত?
উত্তরঃ মনেরা রাজ্যের অন্তর্গত।

প্রশ্নঃ ফানজির প্রধান পুষ্টি কী রকমের?
উত্তরঃ মৃতজীবী পুষ্টি।

প্রশ্নঃ ফানজির প্রধান পুষ্টি কী রকমের?
উত্তরঃ এরা এককোশী এবং ইউক্যারিওটিক প্রকৃতির।

প্রশ্নঃ স্পাইরোগাইরা কোন্ রাজ্যের অন্তর্গত?
উত্তরঃ প্লানটি রাজ্যের অন্তর্গত।

প্রশ্নঃ প্রোটিস্টা রাজ্যের অন্তর্গত দুটি এককোশী প্রাণীর উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ ইউগ্লিনা, প্যারামিসিয়াম।

প্রশ্নঃ প্লানটি রাজ্যের অন্তর্গত জীবদের পুষ্টি প্রক্রিয়া কীরূপ?
উত্তরঃ স্বভোজী পুষ্টি।

প্রশ্নঃ একটি এককোশী শৈবালের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ ক্ল্যামাইডোমোনাস।

প্রশ্নঃ যেসব উদ্ভিদদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতা বিভক্ত নয়, তাদের কী বলে?
উত্তরঃ সমাঙ্গদেহী বলে।

প্রশ্নঃ অ্যানিমালিয়ার অন্তর্গত দুটি প্রাণীর উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ কেঁচো, আরশোলা।

প্রশ্নঃ বীজগুলি নগ্ন প্রকৃতির কোন্ উদ্ভিদদের?
উত্তরঃ ব্যক্তবীজী উদ্ভিদদের।

প্রশ্নঃ রেণুর সাহায্যে বংশবিস্তার করে, দেহ, মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত কোন উদ্ভিদের?
উত্তরঃ ফার্ন জাতীয় উদ্ভিদদের।

প্রশ্নঃ বীজে দুটি বীজপত্র থাকে কোন্ জাতীয় উদ্ভিদের?
উত্তরঃ দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের।

প্রশ্নঃ যেসব প্রাণীদের নোটোকর্ড থাকে না, তাদের কী বলে?
উত্তরঃ অকর্ডাটা।

প্রশ্নঃ যেসব প্রাণীদের নোটোকর্ড থাকে, তাদের কী বলে?
উত্তরঃ কর্ডাটা

প্রশ্নঃ কোন্ প্রাণীদের দেহে নিডোব্লাস্ট কোশ থাকে?
উত্তরঃ নিডারিয়া পর্বভুক্ত প্রাণীদের।

প্রশ্নঃ কোন্ প্রাণীদের দেহ চ্যাপ্টা ফিতের মতো বা পাতার মতো?
উত্তরঃ প্লাটিহেলমিনথিস পর্বভুক্ত প্রাণীদের।

প্রশ্নঃ কোন্ পর্বভুক্ত প্রাণীদের দেহ অসংখ্য আংটির মতো খণ্ডক নিয়ে গঠিত?
উত্তরঃ অ্যানিলিডা পর্বভুক্ত (কেঁচো) প্রাণীদের।

প্রশ্নঃ কোন্ পর্বভুক্ত প্রাণীদের উপাঙ্গগুলি সন্ধিল?
উত্তরঃ আর্থোপোডা পর্বভুক্ত (চিংড়ি) প্রাণীদের।

প্রশ্নঃ ছিদ্রাল প্রাণী কাদের বলে?
উত্তরঃ পরিফেরা পর্বের অন্তর্ভুক্ত প্রাণীদের (স্পঞ্জ)।

প্রশ্নঃ কোন প্রাণীদের দেহে জল সংবহনতন্ত্র থাকে?
উত্তরঃ একাইনোডার্মাটা পর্বভুক্ত প্রাণীদের।

প্রশ্নঃ কণ্টকত্বকী প্রাণী কাদের বলে?
উত্তরঃ একাইনোডার্মাটা প্রাণীদের।

প্রশ্নঃ মোলাস্কা পর্বভুক্ত প্রাণীদের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ অঙ্কদেশে মাংসল পদ উপস্থিত।

প্রশ্নঃ ভার্টিব্রাটা কাকে বলে?
উত্তরঃ যাদের দেহে মেরুদণ্ড উপস্থিত।

প্রশ্নঃ একটি চোয়ালবিহীন প্রাণীর উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ অ্যাগনাথা অধিশ্রেণির অন্তর্গত প্রাণী হ্যাগফিশ / ল্যামপ্রে।

প্রশ্নঃ চোয়ালযুক্ত প্রাণীদের কী বলা হয়?
উত্তরঃ ন্যাথোস্টোমাটা।

প্রশ্নঃ দেহ তরুণাস্থি নির্মিত এমন প্রাণীর নাম কী?
উত্তরঃ হাঙর।

প্রশ্নঃ কোন প্রাণীদের শৈশবকাল জলে এবং পূর্ণাঙ্গ অবস্থা স্থলে অতিবাহিত হয়?
উত্তরঃ উভচর শ্রেণির প্রাণীরা (ব্যাঙ)।

প্রশ্নঃ কোন্ স্তন্যপায়ী ডিম পাড়ে?
উত্তরঃ হংসচঞ্জু।

প্রশ্নঃ কোন্ শ্রেণির প্রাণীদের অগ্রপদ ডানায় রূপান্তরিত?
উত্তরঃ পক্ষীশ্রেণির প্রাণীদের।

প্রশ্নঃ কোন্ স্তন্যপায়ী উড়তে পারে?
উত্তরঃ বাদুড়।

প্রশ্নঃ জলে বাস করে এমন একটি স্তন্যপায়ী প্রাণীর নাম কী?
উত্তরঃ তিমি।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নঃপ্রশ্নের মানঃ ২,৫

প্রশ্নঃ একবীজপত্রী ও দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ একবীজপত্রী ও দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য:

একবীজপত্রী দ্বিবীজপত্রী
(i) মূল অস্থানিক প্রকৃতির - গুচ্ছ মূল। (i) মূল স্থানিক প্রকৃতির - প্রধান মূল।
(ii) পাতার শিরাবিন্যাস - সমান্তরাল প্রকৃতির। (ii) পাতার শিরাবিন্যাস - জালিকাকার প্রকৃতির।

প্রশ্নঃ রাজ্য ফানজির দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
(i) এরা এককোশী, বহুকোশী ও অণুসূত্রাকার হয়।
(ii) এদের পুষ্টি প্রক্রিয়া মৃতজীবী, পরজীবী ও মিথোজীবী প্রকারের হয়।

প্রশ্নঃ রাজ্য মনেরার দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তরঃ
(i) এরা এককোশী ও প্রোক্যারিওটিক, কোশপ্রাচীরে পপটাইডোগ্লাইক্যান উপস্থিত।
(ii) এদের পুষ্টি প্রক্রিয়া- স্যাপ্রোবিক প্যারাসাইটিক, সিমবায়োটিক, কেমো-অটোট্রপিক ইত্যাদি প্রকারের হয়।

প্রশ্নঃ রাজ্য প্রোটিস্টার দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
(i) এরা এককোশী, উপনিবেশ গঠনকারী ইউক্যারিওটিক প্রকৃতির।
(ii) এদের পুষ্টি প্রক্রিয়া ফোটোসিন্থেটিক, প্যারাসাইটিক, হলোজোইক ইত্যাদি প্রকারের হয়।

প্রশ্নঃ রাজ্য প্রোটিস্টার দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
(i) এরা এককোশী, উপনিবেশ গঠনকারী ইউক্যারিওটিক প্রকৃতির।
(ii) এদের পুষ্টি প্রক্রিয়া ফোটোসিন্থেটিক, প্যারাসাইটিক, হলোজোইক ইত্যাদি প্রকারের হয়।

প্রশ্নঃ রাজ্য অ্যানিমালিয়ার দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
(i) বহুকোশী এবং ইউক্যারিওটিক প্রকৃতির, কোশে কোশপ্রাচীর থাকে - এবং বড়ো ভ্যাকুওল থাকে না।
(ii) এদের হলোজোইক পদ্ধতিতে পুষ্টি সম্পন্ন হয়।

প্রশ্নঃ শৈবালের (অ্যালগি) দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
(i) এরা ক্লোরোফিলযুক্ত, স্বভোজী এবং সমাঙ্গদেহী।
(ii) শৈবালে কোশে বিভিন্ন আকৃতির ক্লোরোপ্লাসটিড থাকে।

প্রশ্নঃ ব্রায়োফাইটার (মসবর্গ) দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তরঃ
(i) এদের দেহে কাণ্ড ও পাতা থাকে কিন্তু মূল থাকে না। মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড থাকে।
(ii) এদের জাইলেম ও ফ্লোয়েম কলা দিয়ে গঠিত সংবহন কলা থাকে না।

প্রশ্নঃ ব্রায়োফাইটার (মসবর্গ) দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তরঃ
(i) এদের দেহে কান্ড ও পাতা থাকে কিন্তু মূল থাকে না। মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড থাকে।
(ii) এদের জাইলেম ও ফ্লোয়েম কলা দিয়ে গঠিত সংবহন কলা থাকে না।

প্রশ্নঃ ফার্নবর্গ বা টেরিডোফাইটার দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তরঃ
(i) এদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত, কিন্তু ফুল ও ফল হয় না।
(ii) এদের জাইলেম ও ফ্লোয়েম কলা দিয়ে গঠিত সংবহন কলা উপস্থিত।

প্রশ্নঃ জিমনোস্পার্ম বা ব্যক্তবীজী উদ্ভিদের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তরঃ
(i) এদের ফল গঠিত হয় না, বীজ নগ্ন প্রকৃতির।
(ii) এদের পুংরেণুপত্রমঞ্জরি ও স্ত্রীরেণুপত্রমঞ্জরি উপস্থিত।

প্রশ্নঃ গুপ্তবীজী বা অ্যানজিওস্পার্ম-এর দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
(i) এদের প্রকৃত ফল সৃষ্টি হয়। বীজ ফলের মধ্যে অবস্থান করে।
(ii) এদের নিষেকের পর সস্য গঠিত হয়।

প্রশ্নঃ কর্ডাটা পর্বের অন্তর্গত উপপর্বগুলি কী কী?
উত্তরঃ কর্ডাটা পর্বের অন্তর্গত উপপর্বগুলি হল ইউরোকর্ডাটা, সেফালোকর্ডাটা এবং ভার্টিব্রাটা।

প্রশ্নঃ অকর্ডাটার অন্তর্গত পর্বগুলি কী কী?
উত্তরঃ অকর্ডাটাদের অন্তর্গত পর্বগুলি হল - পরিফেরা, নিডারিয়া, টিনোফোরা, প্লাটিহেলমিনথিস, নিমাটোডা, অ্যানিলিডা, আর্থ্রোপোডা, মোলাস্কা, একাইনোডার্মাটা।

প্রশ্নঃ পর্বের দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
(i) কর্ডাটা পর্বভুক্ত প্রাণীদের নোটোকর্ড উপস্থিত।
(ii) কর্ডাটা পর্বভুক্ত প্রাণীদের পৃষ্ঠদেশে ফাঁপা নার্ভকর্ড উপস্থিত।

কর্ডাটা পর্বের বৈশিষ্ট্যের চিত্ররূপ

প্রশ্নঃ ভার্টিব্রাটা উপপর্বের দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ ভার্টিব্রাটা উপপর্বের বৈশিষ্ট্য হল -
(i) মেরুদণ্ড উপস্থিত।(ii) ক্রেনিয়াম বা করোটিকা উপস্থিত।

প্রশ্নঃ ভার্টিব্রাটার অন্তর্গত অধিশ্রেণি দুটির একটি করে বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ ভার্টিব্রাটার অন্তর্গত অধিশ্রেণি দুটি হল-
(i) অ্যাগনাথা - এদের চোয়াল থাকে না। যেমন - হ্যাগফিশ।
(ii) ন্যাথোস্টোমাটা এদের চোয়াল থাকে। যেমন- ব্যাঙ।

**প্রশ্নঃ নিডারিয়া ও টিনোফোরার দুটি পার্থক্য দেখাও।
(i) নিডারিয়াদের নিডোব্লাস্ট কোশ থাকে। টিনোফোরাদের নিডোব্লাস কোশ থাকে না পরিবর্তে কোলোব্লাস্ট কোশ থাকে। (ii) নিডারিয়াদের কোম্বল্পো থাকে না। টিনোফোরাদের সমদূরত্বে অবস্থিত আটটি কোম্বপ্লেট থাকে।

নিডোব্লাস্ট কোশ

প্রশ্নঃ প্লাটিহেলমিনথিস ও নিমাটোডা (অ্যাস্কেলমিনথিস) পর্বের পার্থক্য দেখাও।
উত্তরঃ
(i) প্লাটিহেলমিনথিসদের দেহ চ্যাপ্টা ফিতের মতো বা পাতার মতো নিমাটোডাদের দেহ লম্বাটে ও গোলাকার।
(ii) প্লাটিহেলমিনথিসদের সিলোম থাকে না। নিমাটোডাদের দেহে ছদ্ম সিলোম থাকে।

প্রশ্নঃ আর্থোপোডা পর্বের দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
(i) দেহে কাইটিন নির্মিত বহিঃকঙ্কাল আছে।
(ii) উপাঙ্গগুলি সন্ধি যুক্ত।

প্রশ্নঃ মোলাস্কা পর্বের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তরঃ
(i) দেহের অঙ্কদেশে মাংসল পদ উপস্থিত।
(ii) দেহ ম্যান্টল পর্দা দ্বারা আবৃত।

প্রশ্নঃ যকৃৎ কৃমি ও গোল কৃমি কোন্ পর্বের অন্তর্গত প্রাণী?
উত্তরঃ
(ⅰ) যকৃৎ কৃমি - প্লাটিহেলমিনথিস পর্বভুক্ত।
(ii) গোলকৃতি নিমাটোডা পর্বভুক্ত।

প্রশ্নঃ কেঁচো এবং চিংড়ি কোন্ পর্বভুক্ত?
উত্তরঃ
(i) কেঁচো - অ্যানিলিডা পর্বভুক্ত।
(ii) চিংড়ি – আর্থ্রোপোডা পবভুক্ত।

প্রশ্নঃ পর্ব অ্যানিলিডার দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
(i) অ্যানিলিডা পর্বভুক্ত প্রাণীদের দেহ আংটির মতো খণ্ডক বিশিষ্ট।
(ii) এই পর্বভুক্ত প্রাণীদের রেচন অঙ্গ নেফ্রিডিয়া।

অ্যানিলিডার অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য

প্রশ্নঃ একাইনোডার্মাটা পর্বের দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
(i) কাঁটাযুক্ত চামড়া বিদ্যমান।
(ii) দেহে জল সংবহনতন্ত্র উপস্থিত।

তারামাছের জল সংবহনতন্ত্র

প্রশ্নঃ শামুক ও তারামাছ কোন্ পর্বভুক্ত প্রাণী?
উত্তরঃ
(i) শামুক - মোলাস্কা পর্বভুক্ত।
(ii) তারামাছ - একাইনোডার্মাটা পর্বভুক্ত।

প্রশ্নঃ ল্যামপ্রে এবং গিরগিটি কোন্ অধিশ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
উত্তরঃ
(ⅰ) ল্যামপ্রে অধিশ্রেণি অ্যাগনাথা।
(ii) গিরগিটি- অধিশ্রেণি ন্যাথোস্টোমাটা।

প্রশ্নঃ ইউরোকর্ডাটা উপপর্বের দুটি বৈশিষ্ট্য উদাহরণসহ লেখো।
উত্তরঃ
(i) নোটোকর্ড কেবল লার্ভার লেজে অবস্থিত।
(ii) গলবিলে অসংখ্য ফুলকা ছিদ্র উপস্থিত। যেমন-অ্যাসিডিয়া।

প্রশ্নঃ স্তন্যপায়ী শ্রেণির দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
(i) এদের দেহ রোমাবৃত।
(ii) এদের স্তনগ্রন্থি উপস্থিত।

প্রশ্নঃ কনড্রিকথিস শ্রেণির দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
(i) এদের অন্তঃকঙ্কাল তরুণাস্থিময়।
(ii) দেহ আণুবীক্ষণিক প্লাকয়েড আঁশ দ্বারা আবৃত।

প্রশ্নঃ অসটিকথিস শ্রেণির দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
(i) অন্তঃকঙ্কাল অস্থিময়।
(ii) দেহ বীক্ষণিক সাইক্লয়েড বা টিনয়েড আঁশ দ্বারা আবৃত।

প্রশ্নঃ অ্যাম্ফিবিয়া শ্রেণির দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো
উত্তরঃ
(i) এদের দেহ ভিজে, আঁশবিহীন ও গ্রন্থিময়।
(ii) এদের শৈশবকাল জলে এবং পূর্ণাঙ্গ অবস্থা সস্থলে অতিবাহিত হয়।

প্রশ্নঃ অ্যাভিস শ্রেণির দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
(i) এদের সারাদেহ পালক দ্বারা আচ্ছাদিত।
(ii) এদের অগ্রপদ ডানায় রূপান্তরিত।

প্রশ্নঃ মৃগেল মাছ ও শংকর মাছ কোন্ শ্রেণিভুক্ত?
উত্তরঃ
(i) মৃগেল মাছ - অসটিকথিস শ্রেণিভুক্ত।
(ii) শংকর মাছ - কনড্রিকথিস শ্রেণিভুক্ত।

প্রশ্নঃ সোনাব্যাঙ ও সাপ কোন্ শ্রেণিভুক্ত?
উত্তরঃ সোনাব্যাঙ-অ্যাম্ফিবিয়া শ্রেণিভুক্ত। সাপ – রেপ্টিলিয়া শ্রেণিভুক্ত।

প্রশ্নঃ ময়ূর ও বাঘ কোন্ শ্রেণিভুক্ত?
উত্তরঃ ময়ূর - অ্যাভিস শ্রেণিভুক্ত। বাঘ - ম্যামেলিয়া শ্রেণিভুক্ত।

প্রশ্নঃ আম গাছের বর্গ ও গোত্রের নাম কী?
উত্তরঃ বর্গ - স্যাপিনডেলিস। গোত্র - অ্যানাকার্ডিয়েসি।

প্রশ্নঃ মানুষের শ্রেণি ও বর্গ উল্লেখ করো।
উত্তরঃ শ্রেণি – ম্যামেলিয়া। বর্গ - প্রাইমেটস্।

**প্রশ্নঃ চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক কাকে বলা হয়?
উত্তরঃ হিপোক্রেটিস (460 BC-377 BC)-কে চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।

**প্রশ্নঃ শৈবাল, মসবর্গ ও ফার্নবর্গের পার্থক্য লেখ।
উত্তরঃ শৈবাল, মসবর্গ ও ফার্নবর্গের পার্থক্য -

শৈবাল (অ্যালগি) মসবর্গ (ব্রায়োফাইটা) ফার্নবর্গ (টেরিডোফাইটা)
1. এরা সমাঙ্গদেহী, অর্থাৎ দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভেদিত নয়। 1. এদের দেহে কাণ্ড ও পাতা থাকে, কিন্তু মূল থাকে না। মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড থাকে। 1. এদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভেদিত। কান্ড রাইজোম প্রকৃতির। পাতা দুই প্রকারের- ক্ষুদ্র ও সূক্ষ্ম মাইক্রোফাইলাম, বড়ো ও প্রসারিত মেগাফাইলাম।
2. এরা সাধারণত জলজ প্রকৃতির। 2. বেশিরভাগ উদ্ভিদ ভিজে স্থানে জন্মায়। তবে নিষেকের সময় জলের প্রয়োজন হয়। তাই এদের উভচর উদ্ভিদ বলে। 2. এরা স্থলজ প্রকৃতির উদ্ভিদ।
3. সংবহন কলাতন্ত্র অনুপস্থিত। 3. এদের জাইলেম ও ফ্লোয়েম কলা দিয়ে গঠিত সংবহন কলা থাকে না, পরিবর্তে সরল প্যারেনকাইমা কলা থাকে। 3. উদ্ভিদদেহে জাইলেম ও ফ্লোয়েম কলা দিয়ে গঠিত সংবহন কলা উপস্থিত।
4. উদাঃ ক্ল্যামাইডোমোনাস- এককোশী শৈবাল। 4. উদাঃ রিকসিয়া-থ্যালাস প্রকৃতির; পোগোনেটাম ও ফিউনেরিয়া-কান্ড 4. উদাঃ লাইকোপোডিয়াম, ড্রায়োপটেরিস, শুশনি।

**প্রশ্নঃ দ্বিপদ নামকরণ কাকে বলা হয়?
উত্তরঃ গণ এবং প্রজাতি এই দুটি পদ নিয়ে যে নামকরণ করা হয় তাকে দ্বিপদ নামকরণ বলা হয়। যেমন মটর গাছের দ্বিপদ নাম হল Pisum sativum কেবলমাত্র ল্যাটিন ভাষায় এই নামকরণ করতে হবে। অন্য কোনো ভাষায় নামকরণ সিদ্ধ নয়।

**প্রশ্নঃ বিন্যাসবিধির জনক কাকে বলা হয়? কোন্ পুস্তকে তিনি উদ্ভিদ প্রজাতির কথা উল্লেখ করেন?
উত্তরঃ ক্যারোলাস লিনিয়াসকে বিন্যাসবিধির জনক বলা হয়। তিনি 'Species Plantarum' (1753 খ্রিস্টাব্দ) গ্রন্থে উদ্ভিদ প্রজাতির কথা উল্লেখ করেন।

**প্রশ্নঃ ট্যাক্সোনমির দুটি গুরুত্ব লেখো।
উত্তরঃ
(i) অগণিত জীবের মধ্যে কোনো বিশেষ জীবকে শনাক্ত করা যায়।
(ii) ট্যাক্সোনোমির জ্ঞান থেকে জীবের পূর্বপুরুষ যে অনুন্নত ছিল সেই তথ্য এবং এই বিবর্তনের ধারা সম্পর্কে জানা যায়।

**লিনিয়াসের হায়ারার্কিয়াল শ্রেণিবিন্যাসের ধাপগুলি দেখাও।
রাজ্য (Kingdom)
পর্ব (Phylum)
শ্রেণি (Class)
বর্গ (Order)
গোত্র (Family)
গণ (Genus)
প্রজাতি (Species)

প্রশ্নঃ মহাকাশ গবেষণায় ক্লোরেল্লা নামক শৈবাল ব্যবহার করা হয় কেন?
উত্তরঃ ক্লোরেল্লা হল একটি এককোশী শৈবাল যা মহাকাশচারীরা মহাকাশে খাদ্যরূপে গ্রহণ করে। এই শৈবাল মহাকাশযানে CO₂ শোষণ করে সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে O₂ মুক্ত করে এবং উক্ত অক্সিজেন মহাকাশচারীর প্রশ্বাস ক্রিয়ায় ব্যবহার করে।

প্রশ্নঃ কৃষির অগ্রগতিতে আধুনিক জীববিদ্যার প্রয়োগ উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
কৃষিকার্যে
খাদ্য উৎপাদনেঃ জীববিজ্ঞানের জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে খাদ্য উৎপাদনে প্রভূত উন্নতি করা হয়েছে। যেমন-
(i) উচ্চ ফলনশীল বীজঃ সংকরায়ণ পদ্ধতির সাহায্যে উন্নত ফলনশীল ধান, গম, ভুট্টা, পাট, তুলো ইত্যাদি উৎপন্ন করা হয়। কয়েকটি উচ্চ ফলনশীল ধান হলঃ IR-8, IR-20 পুসা, জয়া, জগন্নাথ এবং উন্নত ফলনশীল গম সোনালিকা, কল্যাণসোনা জনক; ভুট্টার মধ্যে বিক্রম, জহর, সোনা উল্লেখযোগ্য।
(ii) বীজবিহীন ফল উৎপাদনঃ প্রজনন বিদ্যার সাহায্যে এবং কৃত্রিম হরমোন প্রয়োগের ফলে বিভিন্ন বীজবিহীন ফল উৎপাদন করা হচ্ছে।
(iii) কীটপতঙ্গ দমনঃ জীববিজ্ঞানের জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে জৈবিক পদ্ধতিতে কীটপতঙ্গ দমন যে করে ফসলের উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে।
(iv) পোলট্রিঃ উন্নত ও সংকরায়ণ পদ্ধতিতে হাঁস-মুরগির চাষ করে প্রচুর ডিম ও মাংস উৎপাদন করা হচ্ছে।
(v) মৎস্যচাষঃ কৃত্রিম প্রজননের সাহায্যে মাছ চাষের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
(vi) উন্নত জাতের পশুপালনঃ সংকরায়ণ পদ্ধতির সাহায্যে উন্নত জাতের অধিক দুগ্ধপ্রদায়ী গাভি, যেমন- মুলতানি, ভাগলপুরী, শাহিওয়াল ইত্যাদি সৃষ্টি করা সম্ভব হয়েছে।
(vii) মৌমাছি পালনঃ কৃত্রিম উপায়ে মৌমাছি পালন করে প্রচুর পরিমাণে মধু উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে।

প্রশ্নঃ জীব ও জড়ের পার্থক্য লেখ।
উত্তরঃ জীব আর জড়ের পার্থক্য -

জীব জড়
(i) জীবের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন আছে। (i) জড়ের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে না।
(ii) প্রত্যেক জীবদেহ প্রোটোপ্লাজম সমন্বিত এক বা একাধিক কোশ দিয়ে গঠিত। (ii) জড়ের প্রোটোপ্লাজমীয় সংগঠন থাকে না।
(iii) জীব উত্তেজনায় সাড়া দেয়। (iii) জড় উত্তেজনায় সাড়া দেয় না।
(iv) জীবের বৃদ্ধি হয়। (iv) জড়ের বৃদ্ধি হয় না।
(v) প্রত্যেক জীবদেহে বিপাকক্রিয়া সম্পন্ন হয়। (v) জড়ের বিপাকক্রিয়া পরিলক্ষিত হয় না।
(vi) জীবের চলন ও গমন পরিলক্ষিত হয়। (vi) জড়ের চলন ও গমন দেখা যায় না।
(vii) জীব অপত্য সৃষ্টি করে বংশবিস্তার করে। (vii) জড় বংশবিস্তার করে না।
(viii) জীবের জীবনচক্র আছে। (viii) জড়ের জীবনচক্র নেই।

প্রশ্নঃ উপচিতি ও অপচিতি বিপাক কাকে বলে?
উত্তরঃ যে বিপাকে জীবের শুষ্ক ওজন বৃদ্ধি পায় তাকে উপচিতি বিপাক (পুষ্টি) এবং যে বিপাকে জীবের শুষ্ক ওজন হ্রাস পায় তাকে অপচিতি বিপাক (শ্বসন) বলে।

প্রশ্নঃ চলন ও গমন কাকে বলে?
উত্তরঃ জীবের স্বেচ্ছায় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নাড়া-চাড়াকে চলন এবং স্বেচ্ছায় স্থান পরিবর্তন করাকে গমন বলে।

প্রশ্নঃ প্রোটোপ্লাজমকে জীবনের ভৌতভিত্তি বলা হয় কেন?
উত্তরঃ প্রতিটি জীবের যাবতীয় জৈবনিক প্রক্রিয়া প্রোটোপ্লাজমে সংঘটিত হয় এবং জীবের জীবন এই প্রোটোপ্লাজমের সক্রিয়তার ওপর নির্ভরশীল। সেজন্য প্রোটোপ্লাজমকে জীবনের ভৌতভিত্তি বলা হয়।

প্রশ্নঃ পরিব্যক্তি কাকে বলে?
উত্তরঃ সজীব কোশের নিউক্লিয়াস মধ্যস্থ জিনের আকস্মিক ও স্থায়ী পরিবর্তনের মাধ্যমে জীবের মধ্যে নতুন বৈশিষ্ট্যের সৃষ্টির ঘটনাকে পরিব্যক্তি বলে।

প্রশ্নঃ জীবের দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
(i) জীব উদ্দীপনায় সাড়া দেয়।
(ii) জীব বংশবিস্তার করে।

প্রশ্নঃ বিপাক কাকে বলে?
উত্তরঃ জীবকোশে যে অনবরত রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটছে তাদের সমষ্টিগত ফলকে বিপাক বলে। যেমন - পুষ্টি, শ্বসন, রেচন ইত্যাদি।

প্রশ্নঃ উপচিতি ও অপচিতি বিপাক কাকে বলে?
উত্তরঃ
উপচিতঃ যেসব গঠন মূলক বিপাকে দেহের শুষ্ক ওজন বৃদ্ধি পায় তাদের উপচিতি বিপাক বলে । যেমন - সালোকসংশ্লেষ।
অপচিতঃ যে সমস্ত ভাঙনমূলক বিপাকক্রিয়ার ফলে জীবের কোশীয় পদার্থ বিশ্লিষ্ট হওয়ায় জীবদেহের শুষ্ক ওজন হ্রাস পায়, তাকে অপচিতি বিপাক বলে। যেমন - শ্বসন রেচন ইত্যাদি ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন