WBBSE Class 7 History Chapter 4 Question Answer | সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস চতুর্থ অধ্যায় দিল্লি সুলতানি
WBBSE Class 7 History Chapter 4 (দিল্লি সুলতানি: তুর্ক-আফগান শাসন) সম্পূর্ণ বাংলা প্রশ্নোত্তর, সাজেশন এবং স্টাডি মেটেরিয়াল। পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য Vision Institute এর বেস্ট গাইড ও ফ্রি নোটস।
সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস - চতুর্থ অধ্যায়
দিল্লি সুলতানি (তুর্ক-আফগান শাসন) - প্রশ্নোত্তর
১. মহম্মদ ঘুরি কবে মারা যায়?
উত্তর:- ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে।
উত্তর:- ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে।
২. মহম্মদ ঘুরি মারা যাওয়ার পর তার অঞ্চলগুলি তার কয়জন অনুচরের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়, তাদের নাম লেখো।
উত্তর:- চারজন অনুচর। তারা হলেন,-
১. তাজউদ্দীন ইয়ালদুজ (গজনির অধিকার পান)
২. নাসিরউদ্দীন কুবাচা (মুলতান ও উছ - এর শাসক হন)
৩. বখতিয়ার খলজি (বাংলাদেশের শাসক হন)
৪. কুতুবউদ্দীন আইবক (লাহোর ও দিল্লির শাসক হন)
উত্তর:- চারজন অনুচর। তারা হলেন,-
১. তাজউদ্দীন ইয়ালদুজ (গজনির অধিকার পান)
২. নাসিরউদ্দীন কুবাচা (মুলতান ও উছ - এর শাসক হন)
৩. বখতিয়ার খলজি (বাংলাদেশের শাসক হন)
৪. কুতুবউদ্দীন আইবক (লাহোর ও দিল্লির শাসক হন)
৩. সুলতান একটা ______ ।
উত্তর:- উপাধি।
উত্তর:- উপাধি।
৪. আরবি ভাষায় সুলতান শব্দের অর্থ কী?
উত্তর:- কর্তৃত্ব বা ক্ষমতা।
উত্তর:- কর্তৃত্ব বা ক্ষমতা।
৫. সুলতানাৎ বা সুলতানি কাকে বলে ?
উত্তর:- যে অঞ্চলের মধ্যে সুলতানের কর্তৃত্ব চলত, তাকে বলা হতো সুলতানাৎ বা সুলতানি।
উত্তর:- যে অঞ্চলের মধ্যে সুলতানের কর্তৃত্ব চলত, তাকে বলা হতো সুলতানাৎ বা সুলতানি।
৬. দিল্লি সুলতানি বা সুলতানাৎ কাকে বলে?
উত্তর:- দিল্লিকে কেন্দ্র করে ভারতবর্ষে সুলতানদের ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব বজায় ছিল। তাই তার নাম দিল্লি সুলতানি বা সুলতানাৎ।
উত্তর:- দিল্লিকে কেন্দ্র করে ভারতবর্ষে সুলতানদের ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব বজায় ছিল। তাই তার নাম দিল্লি সুলতানি বা সুলতানাৎ।
৭. খলিফা কাকে বলে ?
উত্তর:- হজরত মহম্মদের মৃত্যুর পর ইসলামীয় জগতে প্রধান শাসক ছিলেন খলিফা।
উত্তর:- হজরত মহম্মদের মৃত্যুর পর ইসলামীয় জগতে প্রধান শাসক ছিলেন খলিফা।
৮. খলিফা ও সুলতানদের সম্পর্ক কেমন ছিল?
উত্তর:- হজরত মহম্মদের মৃত্যুর পর ইসলামীয় জগতে প্রধান শাসক ছিলেন খলিফা। তবে ত্রয়োদশ শতকে মুসলমানদের কর্তৃত্ব ছিল বিশাল অঞ্চলে। একজন খলিফার পক্ষে সমস্ত অঞ্চলের শাসন করা সম্ভব ছিল না। তাই খলিফার থেকে অনুমোদন নিয়ে নানান অঞ্চলে নানান ব্যক্তিরা শাসন করতেন। তেমনই ভারতবর্ষ বা হিন্দুস্তানের শাসক ছিলেন সুলতানরা। খলিফাকে সুলতানরা খুব মেনে চলতেন তা নয়। তবে মাঝেমধ্যেই কে সুলতান হবে তা নিয়ে গোলমাল শুরু হতো। তখন খলিফার অনুমোদিত প্রার্থীই সেই অঞ্চলে শাসক হতো।
উত্তর:- হজরত মহম্মদের মৃত্যুর পর ইসলামীয় জগতে প্রধান শাসক ছিলেন খলিফা। তবে ত্রয়োদশ শতকে মুসলমানদের কর্তৃত্ব ছিল বিশাল অঞ্চলে। একজন খলিফার পক্ষে সমস্ত অঞ্চলের শাসন করা সম্ভব ছিল না। তাই খলিফার থেকে অনুমোদন নিয়ে নানান অঞ্চলে নানান ব্যক্তিরা শাসন করতেন। তেমনই ভারতবর্ষ বা হিন্দুস্তানের শাসক ছিলেন সুলতানরা। খলিফাকে সুলতানরা খুব মেনে চলতেন তা নয়। তবে মাঝেমধ্যেই কে সুলতান হবে তা নিয়ে গোলমাল শুরু হতো। তখন খলিফার অনুমোদিত প্রার্থীই সেই অঞ্চলে শাসক হতো।
৯. খুতবা কথার অর্থ কী?
উত্তর:- খুতবা কথার অর্থ ভাষণ। কোনো সুলতানের শাসনকালে মসজিদের ইমাম একটি ভাষণ পড়তেন। শুক্রবারের দুপুরের নামাজের পরে সবার সামনে ওই ভাষণ বা খুতবাটি পাঠ করা হতো।
উত্তর:- খুতবা কথার অর্থ ভাষণ। কোনো সুলতানের শাসনকালে মসজিদের ইমাম একটি ভাষণ পড়তেন। শুক্রবারের দুপুরের নামাজের পরে সবার সামনে ওই ভাষণ বা খুতবাটি পাঠ করা হতো।
১০. কুতুবউদ্দীনের জামাই কে ছিলেন?
উত্তর:- ইলতুৎমিশ।
উত্তর:- ইলতুৎমিশ।
১১. প্রথমদিকে ইলতুৎমিশকে কেউ সুলতান বলে মানতে চায়নি কেন?
উত্তর:- প্রথমদিকে ইলতুৎমিশকে কেউ সুলতান বলে মানতে চায়নি তার কারণ,-
১. ইলতুৎমিশ কুতুবউদ্দীনের জামাই, ছেলে নন।
২. নাসিরউদ্দীন কুবাচা মুলতান থেকে এসে লাহোর ও পাঞ্জাবের খানিক অংশ দখল করে নিয়েছিলেন।
৩. অন্যান্য অঞ্চলে ক্ষমতাবান তুর্কিরা কর্তৃত্ব করতে লাগলেন।
উত্তর:- প্রথমদিকে ইলতুৎমিশকে কেউ সুলতান বলে মানতে চায়নি তার কারণ,-
১. ইলতুৎমিশ কুতুবউদ্দীনের জামাই, ছেলে নন।
২. নাসিরউদ্দীন কুবাচা মুলতান থেকে এসে লাহোর ও পাঞ্জাবের খানিক অংশ দখল করে নিয়েছিলেন।
৩. অন্যান্য অঞ্চলে ক্ষমতাবান তুর্কিরা কর্তৃত্ব করতে লাগলেন।
১২. আমির কথার অর্থ কী?
উত্তর:- আমির কথার অর্থ উঁচু বংশে জন্ম বড়লোক ব্যক্তি। তবে দিল্লির সুলতানের ইতিহাসে শাসনকাজে নিযুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আমির বলা হতো।
উত্তর:- আমির কথার অর্থ উঁচু বংশে জন্ম বড়লোক ব্যক্তি। তবে দিল্লির সুলতানের ইতিহাসে শাসনকাজে নিযুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আমির বলা হতো।
১৩. দুরবাশ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর:- স্বাধীন শাসনের প্রতীক দণ্ড।
উত্তর:- স্বাধীন শাসনের প্রতীক দণ্ড।
১৪. খিলাত শব্দের অর্থ কী?
উত্তর:- আনুষ্ঠানিক পোশাক।
উত্তর:- আনুষ্ঠানিক পোশাক।
১৫. ইলতুৎমিশ কবে খলিফার থেকে অনুমোদন পান?
উত্তর:- ১২২৯ খ্রিস্টাব্দে।
উত্তর:- ১২২৯ খ্রিস্টাব্দে।
১৬. ইলতুৎমিশের সময় দিল্লি সুলতানের সামনে প্রধান তিনটি সমস্যা কী ছিল?
উত্তর:- ইলতুৎমিশের সময় দিল্লি সুলতানের সামনে প্রধান তিনটি সমস্যা ছিল,-
১. কীভাবে সাম্রাজ্যের মধ্যে বিদ্রোহী শক্তিকে দমন করা যাবে।
২. কীভাবে মধ্য এশিয়ার দুর্ধর্ষ মোঙ্গল শক্তিকে মোকাবিলা করা যাবে।
৩. কীভাবে সুলতানিতে একটি রাজবংশ তৈরি করা যাবে। যাতে তার মৃত্যুর পরে তার উত্তরাধিকারী গোলমাল ছাড়াই সিংহাসনে বসতে পারে।
উত্তর:- ইলতুৎমিশের সময় দিল্লি সুলতানের সামনে প্রধান তিনটি সমস্যা ছিল,-
১. কীভাবে সাম্রাজ্যের মধ্যে বিদ্রোহী শক্তিকে দমন করা যাবে।
২. কীভাবে মধ্য এশিয়ার দুর্ধর্ষ মোঙ্গল শক্তিকে মোকাবিলা করা যাবে।
৩. কীভাবে সুলতানিতে একটি রাজবংশ তৈরি করা যাবে। যাতে তার মৃত্যুর পরে তার উত্তরাধিকারী গোলমাল ছাড়াই সিংহাসনে বসতে পারে।
১৭. ইলতুৎমিশের সার্থক উত্তরাধিকারী কে ছিলেন ?
উত্তর:- সুলতান রাজিয়া।
উত্তর:- সুলতান রাজিয়া।
১৮. রাজিয়া নারী হলেও সুলতান উপাধি গ্রহণ করেছিলেন কেন ?
উত্তর:- আরবি ভাষায় সুলতানা শব্দের অর্থ হলো সুলতানের স্ত্রী। কিন্তু রাজিয়া কোন সুলতানের স্ত্রী ছিলেন না, তাই রাজিয়া তার মুদ্রায় নিজেকে সুলতান বলে দাবি করেছেন।
উত্তর:- আরবি ভাষায় সুলতানা শব্দের অর্থ হলো সুলতানের স্ত্রী। কিন্তু রাজিয়া কোন সুলতানের স্ত্রী ছিলেন না, তাই রাজিয়া তার মুদ্রায় নিজেকে সুলতান বলে দাবি করেছেন।
১৯. রাজিয়ার মৃত্যু হয় কবে ?
উত্তর:- ১২৪০ খ্রিস্টাব্দে।
উত্তর:- ১২৪০ খ্রিস্টাব্দে।
২০. ইলতুৎমিশের ছেলের নাম কী ?
উত্তর:- নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহ।
উত্তর:- নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহ।
২১. নাসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের রাজত্বকালে কোন তুর্কি আমির ক্ষমতাশালী হয়ে উঠেছিল?
উত্তর:- গিয়াসউদ্দিন বলবন।
উত্তর:- গিয়াসউদ্দিন বলবন।
২২. গিয়াসউদ্দিন বলবন কত খ্রিস্টাব্দে সুলতান হন?
উত্তর:- ১২৬৬ খ্রিস্টাব্দে।
উত্তর:- ১২৬৬ খ্রিস্টাব্দে।
২৩. তুর্কান - ই - চিহলগানি কথার অর্থ কী ?
উত্তর:- তুর্কান - ই - চিহলগানি কথার আক্ষরিক মানে চল্লিশ জন তুর্কি বা চল্লিশটি তুর্কি পরিবার। এরা খ্রিষ্টীয় ত্রয়োদশ শতকে ক্ষমতাশালী হয়ে উঠেছিল।
উত্তর:- তুর্কান - ই - চিহলগানি কথার আক্ষরিক মানে চল্লিশ জন তুর্কি বা চল্লিশটি তুর্কি পরিবার। এরা খ্রিষ্টীয় ত্রয়োদশ শতকে ক্ষমতাশালী হয়ে উঠেছিল।
২৪. বন্দেগান - ই - চিহলগানি কথার অর্থ কী?
উত্তর:- বন্দেগান - ই - চিহলগানি কথার অর্থ, চল্লিশজন বান্দা বা সেবক।
উত্তর:- বন্দেগান - ই - চিহলগানি কথার অর্থ, চল্লিশজন বান্দা বা সেবক।
২৫. সিজদা ও পাইবস প্রথা কে চালু করেন?
উত্তর:- বলবন।
উত্তর:- বলবন।
২৬. সিজদা কী?
উত্তর:- সিজদার অর্থ সুলতান কে সাষ্টাঙ্গ প্রণাম করা।
উত্তর:- সিজদার অর্থ সুলতান কে সাষ্টাঙ্গ প্রণাম করা।
২৭. পাইবস কথার অর্থ কী?
উত্তর:- সুলতানের পদযুগল চুম্বন করাকে বলে পাইবস।
উত্তর:- সুলতানের পদযুগল চুম্বন করাকে বলে পাইবস।
২৮. খলজি বিপ্লব কাকে বলে ?
উত্তর:- ১২৯০ খ্রিস্টাব্দে জালাল উদ্দিন ফিরোজ খলজি বলবনের বংশধরদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়ে সুলতান হন। এই ঘটনাকে খলজি বিপ্লব বলা হয়।
উত্তর:- ১২৯০ খ্রিস্টাব্দে জালাল উদ্দিন ফিরোজ খলজি বলবনের বংশধরদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়ে সুলতান হন। এই ঘটনাকে খলজি বিপ্লব বলা হয়।
২৯. গিয়াসউদ্দিন তুঘলকের বড় ছেলের নাম কী?
উত্তর:- মহম্মদ বিন তুঘলক।
উত্তর:- মহম্মদ বিন তুঘলক।
৩০. কার আমলে ইবন বতুতা ভারতে আসে?
উত্তর:- মহম্মদ বিন তুঘলক।
উত্তর:- মহম্মদ বিন তুঘলক।
৩১. ইবন বতুতা কোন দেশের লোক ছিলেন ?
উত্তর:- উত্তর আফ্রিকার মরোক্কো দেশের।
উত্তর:- উত্তর আফ্রিকার মরোক্কো দেশের।
৩২. ইবন বতুতার লেখা ভ্রমণ বিবরণীর নাম লেখো।
উত্তর:- অল-রিহলা।
উত্তর:- অল-রিহলা।
৩৩. উলাক কাকে বলা হতো?
উত্তর:- ঘোড়ার ডাকের ব্যবস্থাকে উলাক বলা হতো।
উত্তর:- ঘোড়ার ডাকের ব্যবস্থাকে উলাক বলা হতো।
৩৪. দাওআ - কাকে বলা হতো?
উত্তর:- পায়ে হাঁটা ডাক ব্যবস্থাকে দাওআ বলা হতো।
উত্তর:- পায়ে হাঁটা ডাক ব্যবস্থাকে দাওআ বলা হতো।
৩৫. পাগলা রাজা কাকে বলা হয়?
উত্তর:- মহম্মদ বিন তুঘলককে।
উত্তর:- মহম্মদ বিন তুঘলককে।
৩৬. মহম্মদ বিন তুঘলককে পাগলা রাজা বলার কারণগুলো লেখো।
উত্তর:- মহম্মদ বিন তুঘলক আসলে পাগল ছিলেন না। তবে তার বেশকিছু খামখেয়ালি আচরণ বা সিদ্ধান্তের জন্য তাকে কেউ কেউ 'পাগলা রাজা' বলেছেন। যেমন,-
১. তিনি দিল্লি থেকে দৌলতাবাদে রাজধানী স্থানান্তরিত করেন। সুলতানের হুকুমে দিল্লি থেকে দৌলতাবাদে যাওয়ার সময় অনেক মানুষ প্রাণ হারান। কয়েকবছর পর আবার রাজধানী দিল্লিতে ফিরিয়ে নিয়ে যান।
২. সোনা ও রূপার মুদ্রার ঘাটতি মেটাতে তিনি তামার মুদ্রার প্রচলন করেন। তবে অনেকে তামার মুদ্রা জাল করে। তাই বাজার থেকে জাল মুদ্রা তুলে নিতে আবার রাজকোষ থেকে সোনা ও রূপার মুদ্রা ব্যয় করেন।
৩. বাড়তি কর সংগ্রহ করার জন্য দোয়াব অঞ্চলে রাজস্ব বাড়িয়ে দেন সুলতান। অনাবৃষ্টির ফলে সেখানে শস্যের ক্ষতি হলে প্রজারা বাড়তি কর দিতে না পেরে বিদ্রোহ করলে, সুলতান বাড়তি কর মুকুব করে নষ্ট হওয়া ফসলের জন্য ক্ষতিপূরণ দেন।
৪. মহম্মদ বিন তুঘলক কয়েকজন অনভিজাত সাধারণ ব্যক্তিকে প্রশাসনে উঁচু পদে বসিয়েছিলেন। এদের মধ্যে একজন মদ তৈরি করতেন, একজন নাপিত ছিলেন, একজন ছিলেন পাচক ও দুজন ছিলেন মালি।
উত্তর:- মহম্মদ বিন তুঘলক আসলে পাগল ছিলেন না। তবে তার বেশকিছু খামখেয়ালি আচরণ বা সিদ্ধান্তের জন্য তাকে কেউ কেউ 'পাগলা রাজা' বলেছেন। যেমন,-
১. তিনি দিল্লি থেকে দৌলতাবাদে রাজধানী স্থানান্তরিত করেন। সুলতানের হুকুমে দিল্লি থেকে দৌলতাবাদে যাওয়ার সময় অনেক মানুষ প্রাণ হারান। কয়েকবছর পর আবার রাজধানী দিল্লিতে ফিরিয়ে নিয়ে যান।
২. সোনা ও রূপার মুদ্রার ঘাটতি মেটাতে তিনি তামার মুদ্রার প্রচলন করেন। তবে অনেকে তামার মুদ্রা জাল করে। তাই বাজার থেকে জাল মুদ্রা তুলে নিতে আবার রাজকোষ থেকে সোনা ও রূপার মুদ্রা ব্যয় করেন।
৩. বাড়তি কর সংগ্রহ করার জন্য দোয়াব অঞ্চলে রাজস্ব বাড়িয়ে দেন সুলতান। অনাবৃষ্টির ফলে সেখানে শস্যের ক্ষতি হলে প্রজারা বাড়তি কর দিতে না পেরে বিদ্রোহ করলে, সুলতান বাড়তি কর মুকুব করে নষ্ট হওয়া ফসলের জন্য ক্ষতিপূরণ দেন।
৪. মহম্মদ বিন তুঘলক কয়েকজন অনভিজাত সাধারণ ব্যক্তিকে প্রশাসনে উঁচু পদে বসিয়েছিলেন। এদের মধ্যে একজন মদ তৈরি করতেন, একজন নাপিত ছিলেন, একজন ছিলেন পাচক ও দুজন ছিলেন মালি।
Comments
You must be signed in to join the discussion.
Loading comments...